ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের উপস্থিতিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত মো. মোরছালিন (২০) গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর এলাকার হেবজু মিয়ার ছেলে এবং গোপীনাথপুর শাহআলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহত অন্যজন নবীর হোসেনের (৪০) বাড়ি মধুপুর গ্রামে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গভীর রাতে আনুমানিক ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহযোগিতায় সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। পরে চোরাচালানের মালামাল নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফের পাথারিয়াদ্বার ক্যাম্পের টহল দল তাদের বাধা দেয়। এ সময় বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে গুলি ছোড়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এতে ঘটনাস্থলে মোরছালিন নিহত হন। পরে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে নবীর হোসেনও মারা যান বলে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
একই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাকে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শরিফুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, গুলির ঘটনায় বিএসএফের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এ নিয়ে পতাকা বৈঠকের প্রক্রিয়া চলছে।




