
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী ঘিরে তার স্মৃতিবিজড়িত কুষ্টিয়ার কুঠিবাড়ি এখন উৎসবের রঙে রঙিন। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের যৌথ আয়োজনে কুঠিবাড়িতে শুক্রবার (৮ মে) থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বর্ণিল উৎসব। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকরা। রং-তুলির আঁচড়, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় নতুন সাজে সেজেছে শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি।
১২৬৮ বঙ্গাব্দের পঁচিশে বৈশাখ জন্ম নিয়েছিলেন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির উজ্জ্বল নক্ষত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। কবির ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী ঘিরে এখন উৎসবমুখর পুরো কুঠিবাড়ি এলাকা। উৎসবকে ঘিরে কুঠিবাড়ি প্রাঙ্গণে চলছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। বাঁশ ও কাঠের কাঠামোয় নির্মাণ করা হচ্ছে সুবিশাল মঞ্চ। আলোকসজ্জা, সাংস্কৃতিক আয়োজন আর দর্শনার্থীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি।
কবিগুরুর জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আয়োজকদের আশা, এবারের উৎসবে দেশ-বিদেশ থেকে আসা হাজারো দর্শনার্থীর পদচারণায় আবারও মুখর হয়ে উঠবে কবির স্মৃতিবিজড়িত এই প্রাঙ্গণ।
উৎসব শুরু হতে এখনও একদিন বাকি। তবে এরই মধ্যে বাড়তে শুরু করেছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা। কবির ব্যবহৃত ঘর, স্মৃতিচিহ্ন আর পদ্মাপাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে এসে মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা উৎসব ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা প্রশাসন। দেশ-বিদেশ থেকে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। পুরো কুঠিবাড়ি এলাকা থাকবে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে।
শুক্রবার সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী তিন দিনব্যাপী এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। রবীন্দ্র প্রেম আর সংস্কৃতির আবহে আবারও মুখর হয়ে উঠবে পদ্মাপাড়ের এই জনপদ, এমন প্রত্যাশা আয়োজক ও রবীন্দ্রভক্তদের।




