
বান্দরবানে র্যাবের এক অভিযানে অভিনব কৌশলে পেটের ভেতরে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারীর অন্যতম হোতাসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-১৫) স্কোয়াড্রন লিডার মো. মেহেদী আলম। আটক ব্যক্তিতরা হলেন—জিয়াউর রহমান, মো. সাকের, আবু তৈয়ব ও জাফর মিয়া।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে একটি বড় মাদকের চালান যাত্রীবাহী বাসে করে বান্দরবান-চট্টগ্রাম হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের অংশ হিসেবে মহাসড়কের ঠাকুরদিঘী বাজার-সংলগ্ন টাইম ক্যাফে রেস্টুরেন্টের সামনে অবস্থান নিয়ে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে থাকা চারজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা তাদের পেটের ভেতরে ইয়াবা বহনের কথা স্বীকার করেন। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে তাদের সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা ও এক্স-রে রিপোর্ট পর্যালোচনা করে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করেন।
নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর তাদের পেট থেকে পায়ুপথে মোট ২১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদকপাচারের সঙ্গে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তারা অভিনব কৌশলে ইয়াবা পেটের ভেতরে বহন করে সাধারণ যাত্রী পরিবহনের আড়ালে পাচার করছিল।
র্যাব-১৫ এর স্কোয়াড্রন লিডার মো. মেহেদী আলম বলেন, র্যাব দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। মাদক, অপহরণ, খুন, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলে র্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




