
চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ সংগঠন) ১৪ নেতাকর্মীর মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। এই ১৪ জনসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৯০-৯৫ জনের বিরুদ্ধে হালিশহর থানায় একটি মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের অধিকাংশ নগরীর বন্দর, জালালাবাদ, হালিশহর এলাকার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে মিরসরাই উপজেলার পাঁচজন রয়েছে।
ডিবির সূত্র জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একমাত্র শিশু হলো ফেনীর ১৭ বছর বয়সি মো. আশরাফুল। অন্য ১৩ জন হলেন ফেনীর মো. শহিদুল ইসলাম ওরফে রুবেল, চট্টগ্রামের বন্দর এলাকার মো. নয়ন, হালিশহর এলাকার মো. রাফি, ইপিজেড এলাকার রবিউল ইসলাম রাজু, মো. শাকিল খান, মিরসরাই জোরারগঞ্জ এলাকার মো. ইব্রাহিম, মো. রাজিব, সাজ্জাদ হোসেন রাকিব, ইমাম হোসেন, জাহেদ হোসেন, নাঙ্গলকোট এলাকার মো. ইসমাইল এবং পিরোজপুরের মেহেদী হাসান সোহান ও মো. আরিফ।
পুলিশ জানায়, রোববার (৩ মে) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগর (উত্তর/দক্ষিণ) গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল হালিশহরের নয়াবাজার বিশ্বরোড মোড় এলাকায় ‘এস এস টাওয়ারের’ চতুর্থ তলায় অবস্থিত ‘তায়েফ গার্ডেন রেস্টুরেন্ট’-এর পার্টি হলে অভিযান চালায়।
সেখানে ছাত্রলীগের ১০০-১২০ জন নেতাকর্মী গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিল। পুলিশের উপস্থিতিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া করে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যরা পালিয়ে যায়। তাদের কাছ থেকে দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন জব্দ করা হয়েছে।
অভিযান প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মেট্টোপিলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিবির উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে তার সংগঠিত হয়েছিল। প্রধান সংগঠকসহ মোট ১৪ জনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। আমাদের কাছে তথ্য ছিল যে তারা বড় ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করছিল। এই চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




