
সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে ১৩ দিন জিম্মি থাকার পর মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন ছয়জন জেলে। শনিবার (২ মে) ভোরে তারা বাড়ি ফিরেছেন।
এর আগে গত ২০ এপ্রিল সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কোকিলমনি ও চাতরা খাল এলাকা থেকে তাদের অপহরণ করা হয়।
জিম্মিদসায় বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার পানিরঘাট এলাকার জেলে কালাম ফরাজী। তার স্ত্রী নাজমা বেগম ফোনে জানান, তার স্বামীসহ ছয়জন জেলে মুক্তিপণ দিয়ে ১৩ দিন পর শনিবার ভোরে বাড়ি ফিরেছেন।
অপর জেলেরা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা গ্রামের আনোয়ার বয়াতী, কিবরুল, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার হরিণটানা গ্রামের মহসিন, আব্দুস সালাম এবং নাম না জানা আরও একজন জেলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শরণখোলা বাজারের দুই মাছ ব্যবসায়ী জানান, শরীফ ও নানাভাই বাহিনী গত ২০ এপ্রিল সুন্দরবনের কোকিলমনি ও চাতরা খাল এলাকা থেকে ছয়জন জেলেকে অপহরণ করে বনের অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে। একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের পর বনদস্যুদের সর্বশেষ দাবিকৃত দেড় লাখ টাকা বিকাশের মাধ্যমে মুক্তিপণ দিয়ে তাদের ছাড়িয়ে আনা হয়। ফিরে আসা জেলেরা জানিয়েছেন, এখনও কয়েকজন মৌয়াল বনদস্যুদের হাতে আটক রয়েছেন।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক বলেন, সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে জেলে ফিরে আসার বিষয়ে তাদের কেউ জানায়নি। বনদস্যুদের হাতে অপহরণের ঘটনায়ও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




