প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষকদের গাছের চারা দিচ্ছি। কয়েকজনকে আম ও জাম গাছ দিয়েছি। আমি ওনাদের বলেছি, আম-জাম যখন ধরবে আমাকে পাঠাবেন, আমি খাব।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় টাঙ্গাইলের ১৫ জন কৃষক-কৃষাণীর মধ্যে কৃষক কার্ড ও ফলদ গাছ বিতরণ করা হয়।
এ দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি হয়তো কৃষির সঙ্গে জড়িত নয়, কিন্তু আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ আছে যে মানুষটি কৃষির সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশের ৪ কোটি পরিবার কেউ না কেউ কৃষির সঙ্গে জড়িত। এ দেশের প্রধান পেশাই হচ্ছে কৃষি। এ দেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, এ দেশের কৃষক যদি বেঁচে থাকে, কৃষক যদি ভালো থাকে, তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে। বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব রফিকুল-ই মোহামেদ।
কৃষক কার্ড বিএনপির উল্লেখযোগ্য নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে একটি। এর আগে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।
এদিকে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, শুরুতে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায় বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ‘কৃষক কার্ড’ পাবেন ২০ হাজার ৬৭১ ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে দুই হাজার ৫০০ টাকা নগদ সুবিধা পাবেন তারা।




