জ্বালানির কৃত্রিম সংকট মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের পথ দেখিয়েছেন ঝিনাইদহের উদ্যোক্তা শেখ ওবায়দুল হক রাসেল। তিনি একটি অ্যাপ তৈরি করেছেন; যার মাধ্যমে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা যোগ করা হয়েছে।
রাসেল জানান, যখন কোনো মোটরসাইকেল ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসবে, তখন অ্যাপের মাধ্যমে সেটির ইঞ্জিন নম্বর স্ক্যান করা হবে। তথ্যগুলো সার্ভারে সংরক্ষণ করা হবে এবং একাধিক তা ফিলিং স্টেশনের সঙ্গে সমন্বয় থাকবে।
তিনি বলেন, একই ব্যক্তি যদি আবার তেল নিতে আসে, তাহলে অ্যাপটি দেখিয়ে দেবে তিনি কবে, কখন এবং কত লিটার তেল নিয়েছেন। এতে করে কেউ বারবার তেল নিতে পারবে না। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, একজন মোটরসাইকেল চালক যেন একাধিকবার তেল নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে।
রাসেলের মতে, বর্তমানে কিছু অসাধু ব্যক্তি তেল নিয়ে মজুত করছে এবং পরে বেশি দামে বিক্রি করছে। এই অ্যাপ ব্যবহার করলে তাদের চিহ্নিত করা সহজ হবে। যদি অ্যাপটি সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়, তাহলে তেল নিয়ে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে, তা অনেকটাই কমে আসবে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার বারো বাজারের মেসার্স আমজাদ আলী ফিলিং স্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাপটির উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন এই উদ্যোক্তা।
রাসেল বলেন, কেউ যদি প্রতারণা করে বারবার তেল নিতে আসে, তাহলে অ্যাপের মাধ্যমে সে ধরা পড়বে। এরপর তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবেন জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।




